DheTemplate Blogger Template
Pre Live Mag Blogger Template
whitePress Blogger Template
Poster Inc Blogger Template
DheTemplate - Free Blogger Templates Everyday
Etiam augue pede, molestie eget, rhoncus at, convallis ut, eros...More
Pre Live Mag Blogger Template
Aliquam sit amet felis. Mauris semper, velit semper laoreet dictum, quam diam dictum urna, nec placerat elit nisl in quam...More
whitePress Blogger Template
Etiam augue pede, molestie eget, rhoncus at, convallis ut, eros...More
Poster Inc Blogger Template
Aliquam sit amet felis. Mauris semper, velit semper laoreet dictum, quam diam dictum urna, nec placerat elit nisl in quam...More
বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
আফগানিস্তানের বাগরাম কারাগার থেকে পয়ষট্টিজন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
Categories :
আন্তর্জাতিক . নিউজ . slider
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এই বন্দিদের বিরুদ্ধে আফগান সাধারণ নাগরিক এবং যৌথবাহিনীর সদস্যদের হত্যার মতো অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো আরো ভালোভাবে খতিয়ে দেখারও অনুরোধ জানিয়েছে দেশটি।
তবে আফগানিস্তান বলছে যে, তাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই।
বিবিসির সংবাদদাতা বলছেন, এই বন্দিমুক্তিকে কেন্দ্র করে আফগানিস্তান আর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আবার সম্পর্কের অবনতি হওয়ার আশংকা তৈরি হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তটি প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের নিজস্ব সিদ্ধান্ত বলে সংবাদদাতা জানতে পেরেছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই বন্দিদের কারাগারটি থেকে ছেড়ে দেয়া শুরু হয়।
কাবুল থেকে ৪৫ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত পারওয়ান আটক কেন্দ্র নামের এই কারাগারটি বাগরাম কারাগার নামে পরিচিত।
কিছুদিন আগে বিবিসির ইয়ালদা হাকিম এই কারাগারটিতে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছিলেন।
তিনি বলছেন, আফগানিস্তানের অন্য কারাগারগুলোর সাথে তুলনা করণে এটি খুবই ভালো কারাগার। তবে এখানে এমন অনেক বন্দি রয়েছেন, যাদের বছরের পর বছর বিনাবিচারে আটকে রাখা হয়েছে।
গতবছরের মার্চে বাগরাম কারাগারটি আফগান কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের পর এ পর্যন্ত একশজনের বেশি বন্দিকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।
আইটিতে কে ছিল ২০১৩ এর বস দেখুন
কে দাপিয়ে বেড়িয়েছে ২০১৩-র তথ্যপ্রযুক্তি দুনিয়া? বা কোন কোন সংস্থার মাথায় ঘনিয়েছে কালো মেঘ। এক নজরে চোখ বুলিয়ে নিন বছর শেষে তথ্য প্রযুক্তি দুনিয়ার শীর্ষ খবরে।
টুইটার: এ বছরই নভেম্বরেই শেয়ার ছাড়ে টুইটার৷ কয়েক কোটি ডলারের শেয়ার বেঁচে সান ফ্রান্সিসকোর এই কোম্পানি আজ সাফল্যের শিখরে৷ খুব শিগগিরই টুইটার সেরা ইন্টারনেট কোম্পানিতে পরিণত হবে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের৷
নেটফ্লিক্স: ইন্টারনেট ভিত্তিক এই মিডিয়ার বিভিন্ন অনুষ্ঠান জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে পিছনে ফেলেছে টিভি চ্যানেল এইচবিও-কে। যুক্তরাষ্ট্রের গ্রাহকরা এখন যে কোনও চলচ্চিত্র দেখতে নেটফ্লিক্সকেই প্রাধান্য দেন৷ তাঁদের নিজস্ব অনলাইন শো ‘হাউজ অব কার্ডস’ প্রথম অনলাইন শো হিসেবে অ্যামি এডওয়ার্ড পেয়েছে৷ এ বছর এর শেয়ার মূল্যও বেড়েছে তিন গুণ৷
ভিডিও গেমস: ‘গ্র্যান্ড থেফট অটো ভি’ গেমটি উৎপাদন খরচ এবং বিক্রির দিক থেকে এ বছর রেকর্ড গড়েছে৷ হলিউডের ব্লকবাস্টার চিত্র নির্মাণে যত অর্থ ব্যয় হয়, এটি তৈরিতেও তেমনই অর্থ ব্যয় করা হয়েছে৷ মুক্তির মাত্র তিন দিনেই গেমটি বিক্রি হয়েছে ১ বিলিয়ন ডলার৷ নভেম্বরে মাইক্রোসফট এবং সনি নিউ জেনারেশন এক্স-বক্স ওয়ান এবং প্লে স্টেশন ফোর ভিডিও গেমস বাজারে আনে৷
বিটকয়েন: বছর শেষে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে বিটকয়েন বা ডিজিটাল কয়েন৷ এমনকি কয়েকটার মূল্য দাঁড়িয়েছে ১০০০ ডলার পর্যন্ত৷ তবে বিটকয়েনের কারণে অনলাইনে চোরাকারবারীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে বলে মনে করেন অনেকে৷
গুগল: কিছুদিন আগেও অ্যাপলের গেজেটে বাজার ছিল ছয়লাপ৷ সেই বাজারে ভাগ বসিয়েছে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়ার৷ তা এখন আধিপত্য বিস্তার করছে স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটের বাজারে৷ স্যামসাং-ও এই বাজারে গুগলের সমকক্ষ৷ তারা নিজের প্ল্যাটফর্ম দাঁড় করিয়েছে৷ বিস্ময়কর চশমা, রবোটিক্স এবং দ্রুতগতি সম্পন্ন কেবল লাইনস তৈরির মাধ্যমে গুগল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মনোযোগ আকর্ষণে সমর্থ হয়েছে৷
ফ্যাবলেটস: স্মার্টফোনের বড় স্ক্রিন মোবাইল ব্যবহারকারীদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে এ বছর৷ ফলে ফ্যাবলেটের চাহিদা উত্তরোত্তর বাড়ছে৷
পার্সোনাল কম্পিউটার: স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটের যুগে পার্সোনাল কম্পিউটার বিক্রি মুখ থুবড়ে পড়েছে৷ ফলে চাপে রয়েছে মাইক্রোসফট৷ এদিকে, কোম্পানিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে এমন একজন দক্ষ ব্যক্তির জন্য সময়ের আগেই পদত্যাগের ঘোষণা করেন মাইক্রোসফট প্রধান স্টিভ বালমার৷
অ্যাপল: সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলার ক্ষেত্রে অ্যাপল কোম্পানির জুরি নেই৷ নতুন আইফোন, আইপ্যাড এবং ম্যাকিনটস কম্পিউটার দিয়ে পুরো বছর বাজার ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে কোম্পানিটি৷ তবে তাদের আইওয়াচ এবং আইটিভি বক্স বাজারে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি৷
ব্ল্যাকবেরি: একসময় রাজত্ব করেছে স্মার্টফোন ব্ল্যাকবেরি৷ কিন্তু এ বছর চাকরি হারানো, বস ও অন্যান্য নেতাদের পদত্যাগের কারণে বেশ ঝুঁকির মুখে রয়েছে এটি৷
লেবু দিয়ে দাঁত করুন আরও উজ্জ্বল
Categories :
নিউজ . লাইফ স্টাইল . slider
দাঁতের দাগ, হলদে কিংবা লালচে ভাব সব বয়সের মানুষের একটা সাধারণ সমস্যা। এই সমস্যা আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। এর থেকে মুক্তি দিতে পারে লেবুর রস। ঝকঝকে দাগমুক্ত দাঁত পেতে চাইলে দিনে দুইবার দাঁত ব্রাশ করুন এবং ব্রাশ করার পর লেবুর রস দিয়ে কুলকুচা করুন। লেবুর রসের জৈব অম্ল দাঁতের অবাঞ্ছিত দাগ, সূক্ষ্ম ময়লা আবরণ দূর করবে। নিয়মিত কাজটি করতে পারলে দ্রুত ফল পাবেন। এছাড়াও আরও এক ধরনের চিকিৎসা রয়েছে। লেবুর খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে টুথ পাউডারের মত তা দিয়ে দাঁত মাজুন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলকুচা করুন। সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল পাবেন।রোদে পোড়া ত্বককে সুন্দর করুন
Categories :
নিউজ . লাইফ স্টাইল . featured
![]() |
সুন্দর ত্বক দেখতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু রোদে ত্বক পুড়ে গেলে ত্বক তামাটে কিংবা কালচে হয়ে যায়, যা দেখতে বেমানান। অবশ্য পশ্চিমা দেশগুলোতে রোদে পোড়া ত্বকের খুব কদর রয়েছে। যাহোক, শত ব্যস্ততার মধ্যে কী করে একটু সচেতনতা ও যত্ন দূর করে দিতে পারে রোদে পোড়া দাগ, সেটিই উল্লেখ করা হবে। বাইরে থেকে ফিরে খানিকটা সময় ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিন। এটা ত্বকে কালচে দাগ পড়তে দেয় না। সপ্তাহে তিনদিন শশা ও আলু পেস্ট করে ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এত ত্বকের দাগ দূর হবে, নতুন দাগ পড়বে না, সেইসঙ্গে ত্বক হবে উজ্জ্বল ও কোমল। সপ্তাহে দুইদিন টকদইয়ের সঙ্গে পাকা কলা পেস্ট করে ত্বকে লাগালেও রোদে পোড়া দাগ দূর হবে, ত্বক মসুণ হবে। নিয়মিত তিলের তেল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে রাতে ত্বকে লাগিয়ে সকালে ধুয়ে ফেলুন। বাইরে বের হওয়ার ২০ থেকে ২৫ মিনিট আগে ত্বকে সানস্ক্রিন লোশন লাগিয়ে বের হতে পারেন। আমাদের দেশের তাপমাত্রা অনুযায়ী সানস্ক্রীন লোশনের এসপিএফ যেন অন্তত ৩০ হয়, সেদিকে লক্ষ রাখবেন। এছাড়া বেশি বেশি পানি, ফলমূল ও শাকসবজি খাবেন। রোদে বের হলে ছাতা, রোদচশমা ব্যবহার করবেন। চলতে ফিরতে এমন সচেতনতায় আপনি ফিরে পেতে পারেন আপনার রোদে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক।
বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
১০ টি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য টিপস
স্বাস্থ্যসচেতনতায় আরও একটু বেশি সক্রিয় হওয়া সবসময়ই উচিত। স্বাস্থ্যই সকল সকল মূল কথাটি মিথ্যে নয়, তাই নজর রাখুন সাস্থ্যের প্রতি। মেনে চলুন সাস্থ্য রক্ষায় উপকারী নিয়মগুলো। আজ তেমনই উপকারী ১০ টি টিপস নিয়ে এসেছি আপনার জন্য..
মাথাব্যথা হলে প্রচুর মাছ খান। মাছের তেল মাথাব্যথা প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর। খেতে পারেন আদা। প্রদাহ এবং ব্যথা নিরাময়ে তা বিশেষভাবে কার্যকর।
জ্বর হলে খেতে পারেন ইয়োগার্ট। মধুও খেতে পারেন।
স্ট্রোক প্রতিরোধ চা খান। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে নিয়মিত চা খেলে ধমনীর গাত্রে ফ্যাট জমতে পারে না। ফলে ঝুঁকি কমে আসে অনেকখানি।
অনিদ্রার সমস্যায় মধু কার্যকর।
হাঁপানিতে পেঁয়াজ খান। শ্বাসনালীর সংকোচন রোধে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
পেটের পীড়ায় খেতে পারেন কলা, আদা। আদা মর্নিং সিকনেস এবং বমি বমিভাব দূর করে।
ঠান্ডা লাগলে রসুন খান।
আলসারের সমস্যায় বাঁধাকপি বিশেষভাবে উপযোগী। এতে থাকা খাদ্যোপাদান গ্যাস্ট্রিক এবং ডিওডেনাল আলসার হিল করতে সাহায্য করে।
নানাগুণের অধিকারী মধু। অসাড়তা, গলাব্যথা, মানসিক চাপ, রক্তস্বল্পতা, অস্টিও পোরেসিস, মাইগ্রেনসহ নানা শারীরিক সমস্যায় মধু বিশেষভাবে কার্যকর।
কি হল তামিমের
কুমার সাঙ্গাকারার মহাকাব্যে ঢাকার পর চট্টলায়ও লংকানরা স্বাগতিকদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে ৫৮৭ রানের পাহাড়সম বোঝা। তাই সবারই প্রত্যাশা ছিল; দলের ক্রান্তিকালে হাল ধরবেন তামিম। কিন্তু হায়! রানের খাতাই যে খুলতে পারলেন না তিনি। ঢাকার ব্যর্থতা টেনে আনলেন নিজ শহর চট্টগ্রামেও। সুরাঙ্গা লাকমলের করা ইনিংসের চতুর্থ বলেই সরাসরি বোল্ড।
সন্দেহাতীতভাবে বর্তমানে দেশের সেরা ওপেনার তিনি। অনেকের মতে, দেশের ক্রিকেট ইতিহাসেরই সেরা। শিবিরের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। কিন্তু সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে তামিম ইকবালের সেই শ্রেষ্ঠত্ব এখন প্রশ্নের সম্মুখীন। উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই আউট হয়ে যাচ্ছেন বাজেভাবে। সহ-অধিনায়ক হয়েও দলকে ফেলে যাচ্ছেন চরম বিপদের মুখে। পরবর্তীতে যে বিপদ দলকে আষ্টেপিষ্টে ধরছে। হারতে হচ্ছে লজ্জাকরভাবে। এসব দেখেও কি বোধোদয় হবে না তামিমের!
কুমার সাঙ্গাকারার মহাকাব্যে ঢাকার পর চট্টলায়ও লংকানরা স্বাগতিকদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে ৫৮৭ রানের পাহাড়সম বোঝা। তাই সবারই প্রত্যাশা ছিল; দলের ক্রান্তিকালে হাল ধরবেন তামিম। কিন্তু হায়! রানের খাতাই যে খুলতে পারলেন না তিনি। ঢাকার ব্যর্থতা টেনে আনলেন নিজ শহর চট্টগ্রামেও। সুরাঙ্গা লাকমলের করা ইনিংসের চতুর্থ বলেই সরাসরি বোল্ড। খানিকটা নিচু হওয়া বলে ছত্রখান তার অফস্ট্যাম্প। অথচ লংকান ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং দেখে ক্রিকেটবোদ্ধারা বলছেন; চট্টলার উইকেট রীতিমতো ব্যাটিং স্বর্গ। কিন্তু তামিম সেই স্বর্গেও বুধবার বাংলাদেশকে উপহার দিলেন নরক যন্ত্রণা।
ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে করেছিলেন মোটে ৬ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হয়েছেন ১১ রানে। দল ডুবেছিল; ইনিংস এবং ২৪৮ রানের পরাজয়ের লজ্জায়। ক্যারিয়ারে একজন ব্যাটসম্যানের খারাপ সময় আসতেই পারে। সেটা মেনেও নিতে হবে সবাইকে। কিন্তু তামিম যেভাবে আউট হচ্ছেন; তা দৃষ্টিকটু ঠেকছে সবার কাছেই। মিরপুরে তার কুৎসিত ব্যাটিং দেখে স্বয়ং দলীয় অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম পর্যন্ত বলেছিলেন; তার (তামিম) আরো একটু দেখে খেলা উচিত। পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং করা উচিত। চট্টগ্রাম টেস্ট শুরুর আগেও সিনিয়রদের প্রতি টাইগার দলপতির আহ্বান ছিল; দায়িত্ব নিয়ে খেলার। কিন্তু মুশফিকের কথায় থোরাই কেয়ার তামিমের। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান চট্টগ্রামে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর অন্তত এ কথা বলাই যায়।
সর্বশেষ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ২০১০ সালের জুনে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যানচেস্টারে। এরপর বার কতক (৬ বার) হাফসেঞ্চুরির গ-ি পেরুলেও পেঁৗছাতে পারেননি তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজে আউট হয়েছেন একেবারে দোরগোড়ায় (৯৫ রান) গিয়ে। ওই সময় সংবাদকর্মীদের প্রশ্ন ছিল; মেঘে মেঘে তো বেলা কম হলো না; আরেকটা সেঞ্চুরি কবে হবে? সে সময় প্রসঙ্গটাতে বেশ বিরক্তিই প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এ কারণেই হয়তো সহ-অধিনায়ক হওয়া সত্ত্বেও এবার এখন পর্যন্ত সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হননি তিনি। পাছে সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে যদি স্বাভাবিক খেলাটাই খেলতে না পারেন! কিন্তু এখন কি বলবেন? এখন তো অবস্থা একেবারে হ-য-ব-র-ল।
তবে এখনো সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। আমার মতো সমালোচকদের মোক্ষম জবাব দেয়ার জন্য এই সিরিজে আরো একটা ইনিংস পাচ্ছেন তামিম। দলের বিপদে সেই ইনিংসে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবেন তামিম, দেশের ষোলো কোটি মানুষের প্রত্যাশা এখন তেমনই।
সন্দেহাতীতভাবে বর্তমানে দেশের সেরা ওপেনার তিনি। অনেকের মতে, দেশের ক্রিকেট ইতিহাসেরই সেরা। শিবিরের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। কিন্তু সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে তামিম ইকবালের সেই শ্রেষ্ঠত্ব এখন প্রশ্নের সম্মুখীন। উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই আউট হয়ে যাচ্ছেন বাজেভাবে। সহ-অধিনায়ক হয়েও দলকে ফেলে যাচ্ছেন চরম বিপদের মুখে। পরবর্তীতে যে বিপদ দলকে আষ্টেপিষ্টে ধরছে। হারতে হচ্ছে লজ্জাকরভাবে। এসব দেখেও কি বোধোদয় হবে না তামিমের!
কুমার সাঙ্গাকারার মহাকাব্যে ঢাকার পর চট্টলায়ও লংকানরা স্বাগতিকদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে ৫৮৭ রানের পাহাড়সম বোঝা। তাই সবারই প্রত্যাশা ছিল; দলের ক্রান্তিকালে হাল ধরবেন তামিম। কিন্তু হায়! রানের খাতাই যে খুলতে পারলেন না তিনি। ঢাকার ব্যর্থতা টেনে আনলেন নিজ শহর চট্টগ্রামেও। সুরাঙ্গা লাকমলের করা ইনিংসের চতুর্থ বলেই সরাসরি বোল্ড। খানিকটা নিচু হওয়া বলে ছত্রখান তার অফস্ট্যাম্প। অথচ লংকান ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং দেখে ক্রিকেটবোদ্ধারা বলছেন; চট্টলার উইকেট রীতিমতো ব্যাটিং স্বর্গ। কিন্তু তামিম সেই স্বর্গেও বুধবার বাংলাদেশকে উপহার দিলেন নরক যন্ত্রণা।
ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে করেছিলেন মোটে ৬ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হয়েছেন ১১ রানে। দল ডুবেছিল; ইনিংস এবং ২৪৮ রানের পরাজয়ের লজ্জায়। ক্যারিয়ারে একজন ব্যাটসম্যানের খারাপ সময় আসতেই পারে। সেটা মেনেও নিতে হবে সবাইকে। কিন্তু তামিম যেভাবে আউট হচ্ছেন; তা দৃষ্টিকটু ঠেকছে সবার কাছেই। মিরপুরে তার কুৎসিত ব্যাটিং দেখে স্বয়ং দলীয় অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম পর্যন্ত বলেছিলেন; তার (তামিম) আরো একটু দেখে খেলা উচিত। পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং করা উচিত। চট্টগ্রাম টেস্ট শুরুর আগেও সিনিয়রদের প্রতি টাইগার দলপতির আহ্বান ছিল; দায়িত্ব নিয়ে খেলার। কিন্তু মুশফিকের কথায় থোরাই কেয়ার তামিমের। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান চট্টগ্রামে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর অন্তত এ কথা বলাই যায়।
সর্বশেষ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ২০১০ সালের জুনে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যানচেস্টারে। এরপর বার কতক (৬ বার) হাফসেঞ্চুরির গ-ি পেরুলেও পেঁৗছাতে পারেননি তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজে আউট হয়েছেন একেবারে দোরগোড়ায় (৯৫ রান) গিয়ে। ওই সময় সংবাদকর্মীদের প্রশ্ন ছিল; মেঘে মেঘে তো বেলা কম হলো না; আরেকটা সেঞ্চুরি কবে হবে? সে সময় প্রসঙ্গটাতে বেশ বিরক্তিই প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এ কারণেই হয়তো সহ-অধিনায়ক হওয়া সত্ত্বেও এবার এখন পর্যন্ত সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হননি তিনি। পাছে সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে যদি স্বাভাবিক খেলাটাই খেলতে না পারেন! কিন্তু এখন কি বলবেন? এখন তো অবস্থা একেবারে হ-য-ব-র-ল।
তবে এখনো সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। আমার মতো সমালোচকদের মোক্ষম জবাব দেয়ার জন্য এই সিরিজে আরো একটা ইনিংস পাচ্ছেন তামিম। দলের বিপদে সেই ইনিংসে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবেন তামিম, দেশের ষোলো কোটি মানুষের প্রত্যাশা এখন তেমনই।
বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৪
তুলসী পাতার গুণ
:::তুলসী পাতার গুণ:::
*মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসীপাতা চেবান ৷
* ঘা যদি দ্রুত কমাতে চান তাহলে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগান, কমে যাবে ৷
* শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালা কমবে ৷ পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে ৷ সেখানে কোন দাগ থাকবে না ৷
* ত্বকের চমক বাড়ানোর জন্য, এছাড়াও ত্বকের বলীরেখা এবং ব্রোন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান ৷
* বুদ্ধি এবং স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন ৫-৭ টা তুলসী পাতা চিবান৷
* প্রস্রাবে জ্বালা হলে তুলসী পাতার রস ২৫০ গ্রাম দুধ এবং ১৫০ গ্রাম জলের মধ্যে মিশিয়ে পান করুন ৷ উপকার পাবেন ৷
~ নেট থেকে নেয়া হয়েছে তথ্যগুলো ~
আপনাদের জন্য অনেক কষ্ট করে তথ্য গুলো সংগ্রহ করেছি। লাইক পেলে ভাল লাগবে।।
*মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসীপাতা চেবান ৷* ঘা যদি দ্রুত কমাতে চান তাহলে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগান, কমে যাবে ৷
* শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালা কমবে ৷ পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে ৷ সেখানে কোন দাগ থাকবে না ৷
* ত্বকের চমক বাড়ানোর জন্য, এছাড়াও ত্বকের বলীরেখা এবং ব্রোন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান ৷
* বুদ্ধি এবং স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন ৫-৭ টা তুলসী পাতা চিবান৷
* প্রস্রাবে জ্বালা হলে তুলসী পাতার রস ২৫০ গ্রাম দুধ এবং ১৫০ গ্রাম জলের মধ্যে মিশিয়ে পান করুন ৷ উপকার পাবেন ৷
~ নেট থেকে নেয়া হয়েছে তথ্যগুলো ~
আপনাদের জন্য অনেক কষ্ট করে তথ্য গুলো সংগ্রহ করেছি। লাইক পেলে ভাল লাগবে।।
চুল পড়া রোধের ১০ টি কার্যকর টিপস
চুল পড়া রোধের ১০ টি কার্যকর টিপস দিলাম,যাদের প্রয়োজন লাইক দিয়ে পড়াশুরু করুন। এরকম টিপস আর পাবেন না।
নিচে চুল পড়া রোধে ১০টি টিপস
দেওয়া হলো-
![]() |
| চুল পড়া পতিরোধ |
১। ধুমপান ত্যাগ করধুমপানের
কারণে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়, রক্ত
নালিকাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়
এটা প্রমাণিত। ধুমপানের কারণে চুল
পড়া বেড়ে যায় এবং চুল বাদামি বর্ণ
ধারণ করে, তাই চুল
বৃদ্ধি করতে চাইলে ধুমপান করবেন না।
২। অতিরিক্ত চা বা কফি পান করবেন
না। চা বা কফিতে ক্যাফেইন
থাকে যা সকল প্রকার চুল ও স্কিনের
সমস্যার জন্য দায়ী, তাই মাত্রাতিরিক্ত
চা, কফি পান করবেন না।
৩। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়
শরীরে আয়রনের অভাবে চুল পড়ে।
আয়রনের অভাবে আমাদের দেহে লোহিত
রক্ত কণিকার সংখ্যা কমে যায়,
যা আমাদের চুলের গোড়ার (হেয়ার
ফলিকল) জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি তাই হয়,
তাহলে প্রচুর পরিমাণে লাল শাক,
কচুশাক খেতে হবে।
৪। ভিটামিন-ই চুল পড়া রোধে ও নতুন চুল
গজানোর ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরী, তাই
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সমৃদ্ধ ফলমূল ও
শাকসবজি খান। ভিটামিন-ই চুলের
ত্বকে অক্সিজেনের সরবরাহ
বাড়িয়ে দেয় যা চুল বৃদ্ধিতে কার্যকর
ভূমিকা পালন করে এবং শরীরের
প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে এটি চুল
পড়া রোধ করে।
ভিটামিন-ই এন্টি-অক্সিডেন্ ট
হিসেবে কাজ করে ক্ষতিকারক
ফ্রি র্যাডিকেল অপসারণের
মাধ্যমে স্কিনকে সুরক্ষিত রাখে।
নাশপাতি, বাদাম ও জলপাই তেলে প্রচুর
ভিটামিন-ই থাকে।
অন্যদিকে ভিটামিনের সর্বোৎকৃষ্ট
প্রাকৃতিক উৎস হচ্ছে গম, শিম, ফুলকপি,
বাঁধাকপি, সবজি, ডিম প্রভৃতি।
৫। স্বাস্থ্যকর খাবার বা প্রোটিনসমৃদ্ধ
খাবার খান। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার শুধু
যে চুল শক্ত করে তা নয়, চুল গজাতেও
সহায়তা করে। এছাড়া অতিরিক্ত চিনি ও
চর্বিযুক্ত খাবারও পরিহার করুন।
৬। ওমেগা- থ্রি (৩) ফ্যাটি অ্যাসিড চুল
পড়া রোধে খুব কার্যকর। সাধারণত
বিশেষ ধরনের মাছে এই
উপাদানটি থাকে। তবে আমাদের
দেশে এসব স্যামন, ম্যাকারেল মাছ
পাওয়া যায় না। প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-
থ্রি (৩) ফ্যাটি অ্যাসিড তিসির
তেলে পাওয়া যায়। আর এই তেল পাবেন
স্থানীয় বাজারেই। মনে রাখবেন, এই
তিসির তেল কিন্তু মাথায় লাগানোর
জন্য নয় অথবা রান্নায় ব্যবহার করার
জন্যও নয়। প্রতিদিন ২ চা চামচ তিসির
তেল সালাদের
সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। তাহলেই
আপনার চুল পড়া অনেক
কমে আসতে পারে। এছাড়া প্রচলিত চুল
সুরক্ষার তেল ব্যবহার করার মাধ্যমেও
চুলের প্রতি যতœশীল হোন।
৭। নতুন চুল গজাতে উদ্দীপনা দেবার জন্য
প্রতি সপ্তাহে চুলের ত্বক ম্যাসেজ করুন।
৮। চুলে অপ্রয়োজনীয় ঘষা-মাঝা,
অতিরিক্ত আচরানো পরিহার করুন। গরম
পানি, ড্রায়ার বা এমন কিছু ব্যবহার
করবেন না যা চুলে অতিরিক্ত চাপ
তৈরি করে।
৯। চুলকে পরিষ্কার-পরিচ্ছ ন্ন রাখুন।
১০। পর্যাপ্ত ঘুমান এবং বিশ্রাম নিন,
কেননা ঘুম ও বিশ্রাম নতুন চুল গজানো ও
বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহায়তা করে।
মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৪
ভয়ঙ্কার পুতুল
Categories :
আইটি . আন্তর্জাতিক . খেলাধুলা . নিউজ . বিনেদন . বিশ্ব বিচিত্র . রাজনীতি . লাইফ স্টাইল
ছবির এই যে পুতুলটিকে দেখছেন , এর ভদ্র চেহারায় কিন্তু বিভ্রান্ত হবেন না ! অনেকেই পুতুল পছন্দ করেন এবং ঘরে সাজিয়ে রাখেন । বড় বড় মানুষরাও শখের বশে মিকি মাউস , বারবি , উডি অথবা ডোরেমনের পুতুল সাজিয়ে রেখে দেন । হয়তো আপনার মনে ইচ্ছা জাগতে পারে যে , এই পুতুলটিকেও যদি ঘরে সাজিয়ে রাখা যেত ! ভূলে যান এই কথা ! কারণ এই পুতুলটিকে ঘরে এনে আপনি হয়তো আপনার মৃত্যু নিশ্চিত করে ফেলবেন !পুতুলটিকে আদর করে 'রবার্ট' ডাকা হয় । এটি 'Robert the haunted doll' অথবা 'Robert the enchanted doll' নামেও সুপরিচিত । এটি একসময় key west নামক জায়গার সম্পত্তি ছিল এবং এর মালিকের নাম ছিল ইউগিন অটো । পুতুলের ব্যাপারে বলা হয়ে থাকে যে , এটি একটি অভিশপ্ত পুতুল এবং পুতুলের ভিতরে একটি শয়তান আত্না বাস করে ! এই কুখ্যাতি পুতুলটিকে দুনিয়াজোড়া পরিচিতি এনে দিয়েছে ।
এই অভিশপ্ত পুতুলটি যবে থেকে ফোর্ট ইষ্ট মার্টেল জাদুঘরে রয়েছে , তবে থেকেই Key west এর টুরিষ্টদের ভৌতিক অভিযানের তালিকায় পুতুলের নামটি থাকেই ।
রবার্টের চেহারার সাথে ২০ শতকের এক নাভাল অফিসারের মিল পাওয়া গিয়েছিল । পুতুলটির চুল মানুষের চুল দিয়ে তৈরী হয়নি , এর চুল তৈরীতে ব্যবহৃত হয়েছে সিনথেটিক উল ।
ইতিহাস অনুসারে , ১৯০৬ সালে ইউগিন কে একজন আফ্রিকান চাকর এই পুতুলটি উপহার দেয় । চাকরটি অটো পরিবারের অর্ন্তগত ছিল । কিন্তু চাকরটি কালো জাদু এবং ভূডু চর্চায় পারদর্শী ছিল এবং অটো পরিবারের জন্য সে অশান্তির কারণ হয়ে দাড়ায় । এজন্য তাকে বিদেয় করে দেয়া হয় । চাকরটি চলে যায় । কিন্তু পুতুলটি থেকে যায় । ঘটনার শুরু এরপর থেকেই ! শীঘ্রই অটো পরিবার টের পায় যে , পুতুলটিতে কিছু সমস্যা আছে ! ইউগিনের বাবা মা বলতেন , প্রায়ই নাকি তারা পুতুলটির সাথে ইউগিন কে কথা বলতে শুনতেন ! এবং তাদের কাছে মনে হতো , পুতুলটিও কথা বলছে ! প্রথমদিকে তারা মনে করতেন ইউগিনই কন্ঠস্বর পালটে অন্য গলায় কথা বলছে , কিন্তু তারা পরবর্তীতে বিশ্বাস করতে বাধ্য হলেন আসলে পুতুলটিই কথা বলতো !!
প্রতিবেশীরাও দাবী করেছিলেন , অটো পরিবার যখন বাড়িতে থাকতোনা , তখন রবার্ট মহোদয় কে বাড়ির এক জানালা থেকে অন্য জানালায় চলাচল করতে দেখা যেত ! অটো পরিবার ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছেন এবং তারা আরো যোগ করেছেন , পুতুলটির ভিতর থেকে মাঝে মাঝে চাপা এক ধরনের হাসি বের হয়ে আসতো এবং বাড়ির এক রুম থেকে অন্য রুমে চোখের নিমিষে পুতুলটাকে দৌড়াতে দেখা যেত !
শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১৪
পর্নো ভিডিও’ আতঙ্ক মিলা, পড়শী, শখ, মীম, মেহজাবীন, তিশা, আঁখি আলমগীর
আতঙ্কে আছেন গ্ল্যামারাস তারকা শিল্পীরা। কারণ, সামপ্রতিক সময়ে প্রায়শই ‘পর্নো ভিডিও’ গুজবের শিকার হচ্ছেন তারা। এক্ষেত্রে নারী তারকা শিল্পীদের নিয়ে এমন র
টনা রটছে হরহামেশা। কিছুদিন পর পরই ফেসবুক-ইউটিউব হয়ে বিভিন্ন অখ্যাত অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে ঝড় উঠে এসব পর্নো ভিডিও কেন্দ্রিক খবরে। স্বাভাবিকভাবেই খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে এমন চটকদার খবর ছড়িয়ে পড়ছে শহর থেকে তৃণমূল পর্যন্ত। হিসাব কষে দেখা যায়, গেল দু’বছরে প্রকাশিত এমন বেশিরভাগ ভিডিওর একটিরও সত্যতা মিলেনি। ফেসবুক-ইউটিউবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন তারকার নামে প্রকাশিত এসব পর্নো ভিডিওতে অভিযুক্ত তারকার চেহারা-চুলের খানিক সাদৃশ্য পাওয়া গেলেও মূলত এসব ভিডিওর পাত্রপাত্রী অভিযুক্ত তারকারা নন। বারবার এমন সত্যতা বেরিয়ে এলেও ইদানীং নিয়ম করে ঘটছে এমন পর্নো ভিডিও গুজব। যে গুজবের সত্যতা নিশ্চিত করে অনেক অখ্যাত অনলাইন সংবাদ মাধ্যমও কাজ করে আসছে নিয়মিত। আর এমন মিথ্যা পর্নো ভিডিও গুঞ্জনের শিকার হয়েছেন কণ্ঠ তারকা মিলা, পড়শী, টিভি তারকা শখ, মীম, মেহজাবীন, তিশা প্রমুখ। আর এই ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ যোগ হয়েছে কণ্ঠতারকা আঁখি আলমগীরের নাম।
বেশ কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন অনলাইন সংবাদ মাধ্যম এবং ফেসবুকে ‘আঁখি আলমগীরের পর্নো ভিডিও নিয়ে তোলপাড়!’ শীর্ষক একটি খবর বেশ ফলাও করে প্রচার হচ্ছে। সেই খবরে বলা হচ্ছে, এবার প্রকাশ পেল জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আঁখি’র পর্নো ভিডিও! এসব খবরে আরও বলা হয়, গুগল-ইউটিউব-ফেসবুকে প্রকাশিত ১৮ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডের এই পর্নো ভিডিওটি আঁখির জ্ঞাতসারেই করা হয়েছে, যা বোঝা যায় ভিডিওর শুরুতে তিনি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে টাটা দেখিয়েছেন। এসব অনলাইন খবরে আঁখির কথিত পর্নো ভিডিওটির সব খুঁটিনাটি দৃশ্যের রগরগে বর্ণনাও দেয়া হয়েছে। আর এমন খবর পুরো মিডিয়ায় ১৫ দিন ধরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। খবরটি এবং ভিডিওটি এখন হু হু করে মানুষের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে মুঠোফোনের দৌলতে।
তবে ভিডিওচিত্রটি অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এটি প্রকৃতপক্ষে আঁখি আলমগীরের নয়। যেমন নজির মিলেছে মিলা, মেহজাবীন, পড়শী, তিশাসহ অন্যদের কথিত পর্নো ভিডিওগুলোর ক্ষেত্রেও। গবেষণা করে দেখা যায়, আঁখির কথিত ভিডিওটি ভারতের তামিলনাড়ু অঞ্চলের। ভিডিওর পাত্রপাত্রীও সেখানকার। ভিডিওটির ব্যকগ্রাউন্ড মিউজিকে প্রথমে হিন্দিগান থাকলেও বর্তমানে এটির বিশ্বাসযোগ্যতা আনার জন্য হিন্দিগানের বদলে সংযোগ করা হয়েছে বাংলা গান। ভিডিওটি ভারতীয় বিভিন্ন পর্নো সাইটে ২০০৮ সাল থেকেই ঘুরছে। আর এই ভিডিওটির সঙ্গে আঁখির চেহারার খানিক সাদৃশ্য খুঁজে পেয়ে দেশীয় একটি সংঘবদ্ধচক্র তার নাম দিয়ে নতুন করে প্রকাশ করছে অনলাইনে।
এ নিয়ে সম্প্রতি হ্যালোটুডের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আঁখি আলমগীর। তিনি বলেন, আমরা আসলে কোন দেশে কোন সমাজে বসবাস করি তা বুঝে উঠতে পারছি না। একটি সংঘবদ্ধচক্র একটা মিথ্যা ভিনদেশী ভিডিও আমার নামে চালিয়ে দিচ্ছে। সেটা নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন সংবাদ মাধ্যম দেদার নিউজ করছে। আমাকে একটিবার এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করারও প্রয়োজন বোধ করলো না কেউ। অথবা ভিডিওটি আদৌ সত্য না মিথ্যা সেটাও খতিয়ে দেখলো না। যার যা ইচ্ছা তাই করছে। অথচ এসব সাইবার ক্রাইম কিংবা অপসাংবাদিকতা নিয়ে কারও কোন মাথাব্যথা নেই। কোথাও কোন জবাবদিহি নেই। আমি জানি এসব নিয়ে আইনের আশ্রয় নিতে গেলেও কোন সাপোর্ট পাবো না। আমাদের এমন অসহায় আত্মসমর্পণ আর কতদিন? কতদিন এভাবে মান-ইজ্জত হারাবো জানি না। আমি সরকারের সাইবার ক্রাইম সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের কাছে করজোড়ে আবেদন করছি, প্লিজ এসব অপরাধীকে আপনারা চিহ্নিত করুন। তা না হলে এসব ঘটনা মহামারী রূপ নেবে। আজ আমার মানহানিতে আপনি হয়তো মজা পাচ্ছেন, তবে কাল ঠিকই আপনার মানহানি ঘটবে একইভাবে। তাই সবার সম্মিলিতভাবে এই অসুস্থ ক্রিমিনালদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি।
এদিকে বছর দেড়েক আগে একইভাবে প্রকাশ পায় পপ তারকা মিলার পর্নো ভিডিও! এমন ভিডিওর খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্টভাষী মিলা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সবার কাছে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন ভিডিওটির সত্যতা প্রমাণের জন্য। একই সঙ্গে মামলার হুমকি দেন ওই ভুয়া ভিডিও এবং সংবাদ পরিবেশনকারীদের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদস্বরূপ তিনি টিভিতেও একটি অনুষ্ঠান করেন। সে সময় অনেকেই বলেছেন, মিলার মতো সৎ সাহস নিয়ে এমন প্রতিবাদ করতে পারলে তারকাদের নিয়ে এহেন বিব্রতকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা কমে যাবে। মজার বিষয় হলো, মিলার প্রতিবাদ এবং ভিডিওটি মিথ্যা প্রমাণের পরেও গেল দেড় বছরে হাফডজন জনপ্রিয় তারকার কথিত ‘পর্নো ভিডিও’ প্রকাশ পায়। সেসব ভিডিওর জের ধরে অনেক চটকদার সংবাদও পরিবেশন হয়েছে বিভিন্ন অখ্যাত গণমাধ্যমে। যার সব ক’টিই ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে। যদিও অভিযুক্ত কিংবা ভুক্তভোগী তারকারা এ নিয়ে সেই অর্থে টুঁ শব্দটিও করেননি গণমাধ্যমে। অনেকে মনে করেন তারকাদের এমন নীরবতার জের ধরেই এ জাতীয় ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে। যার সর্বশেষ শিকার হলেন আঁখি আলমগীর।
এদিকে মিডিয়া বিশ্লেষকদের মতে, তারকাদের পর্নো ভিডিও কেন্দ্রিক এমন রটনা বিশ্বে তো বটেই, বাংলাদেশেও বেশ পুরনো। যার স্পষ্ট যাত্রা হয় এক যুগ আগে শমী কায়সারের একটি মিথ্যা নগ্ন ভিডিও’র মধ্য দিয়ে। এরপর দীর্ঘ বিরতি নিয়ে প্রকাশ পায় ‘হিল্লোল-তিন্নি’র আপত্তিকর দৃশ্য। সেটিও মিথ্যা প্রমাণ হয়। তবে সূর্যের মতো সত্য আর স্পষ্ট হয়ে ধরা দেয় বছর দুই আগে প্রকাশিত ‘প্রভা-রাজীবে’র দীর্ঘ পর্নো ভিডিওচিত্র। এর সঙ্গে নতুন মাত্রা যোগ করে ‘নির্ঝর-চৈতি’র ভিডিও চিত্রও। বিশ্লেষকরা মনে করেন, মূলত এই দুটি সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করেই ইদানীং ঘন ঘন প্রকাশ পাচ্ছে তারকাদের মিথ্যা পর্নো ভিডিও। অভিযুক্ত তারকাদের সোচ্চার ভূমিকা ছাড়া যেখান থেকে খুব সহসা বেরিয়ে আসা মুশকিল।
মানুষের চুল থেকে হীরা!
মানুষের চুল থেকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে ল্যাবরেটরিতে বানানো হচ্ছে মহামূল্যবান হীরা।
চুল থেকে কার্বন কণাকে বের করে নিয়ে তা দিয়ে হীরা তৈরি হয়। এভাবে কৃত্রিম হীরা তৈরিতে প্রয়োজন হয় দশমিক ৫ থেকে ২ গ্রাম পর্যন্ত চুল।
পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগে যে প্রাকৃতিক পরিবেশে হীরার জন্ম সেই একই পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয় ল্যাবরেটরিতে। মেশিনের ভেতরে কার্বন কণা দিয়ে সেখানে সৃষ্টি করা হয় অতি উচ্চ চাপ ও তাপ। এর সঙ্গে রাসায়নিক কিছু বিক্রিয়ার মাধ্যমে চুল ও দেহভস্ম থেকে সংগৃহীত কার্বন পরিণত হয় হীরায়।
এ পদ্ধতিতে হীরা তৈরির জন্য পশ্চিমা বিশ্বে অনেক কোম্পানি গড়ে উঠেছে। তারা এ ব্যবসায় করে উপার্জন করছে কোটি কোটি ডলার।
১৯৫৬ সালের দিকে কৃত্রিম উপায়ে হীরা উৎপাদন শুরু করে জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি। ওই সময়ে তারা যে হীরা উৎপাদন করে তা ছিল ক্ষুদ্র আকারের রত্নপাথর।
তবে আরও ১৫ বছর সাধনা করে এই কোম্পানি ১৯৭১ সালে উৎপাদন করে রত্ন-মানের এক ক্যারেটের হীরা। কৃত্রিম উপায়ে হীরা উৎপাদনের ইতিহাস এখান থেকেই শুরু।
উৎপাদনকারীরা বলেছেন, এভাবে উৎপাদিত হীরা হয় অনন্য। কৃত্রিম উপায়ে বানানো এগুলো প্রাকৃতিক হীরার মতোই উজ্জ্বল।
শীতে সর্দি-কাশির ঘরোয়া চিকিৎসা
শীতকাল মানেই সর্দি-কাশি আর ঠান্ডার সমস্যা। বিশেষ করে যাঁদের রয়েছে কোল্ড অ্যালার্জির সমস্যা, তাঁরা বিপদে পড়েন সবচেয়ে বেশি! শীতকালে সর্দির কারণে মাথাব্যথা, বুকে ব্যথা, বুকে কফ জমে যাওয়া, কাশি, শ্বাসকষ্ট এসব লেগেই থাকে। ওষুধপত্র আর কতই খাওয়া যায়! কিন্তু ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই আপনি এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। কীভাবে? জেনে নিন পদ্ধতি।

সরিষার তেল সর্দি-কাশিতে খুবই উপকারী। একটি স্টিলের পাত্রে ২-৩ টেবিল চামচ সরিষার তেল নিন। কয়েক কোয়া রসুন থেঁতো করে তেলে মধ্যে দিন। এবার তেল গরম করুন। তেল ফুটে উঠলে নামিয়ে ফেলুন। এই তেল উষ্ণ অবস্থায় গলায়, বুকে ও পিঠে মালিশ করুন। এতে কাশি, বুকের কফ, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি দ্রুত উপশম হবে। মাথাব্যথা সারাতে এই তেল মাথার তালুতে ঘষে ঘষে লাগান। ঠান্ডার সমস্যা কাটাতে এই তেল খেতেও পারেন।
মন্ত্রীর বউ হতে চান সালমা
Categories :
ক্লোজআপ ওয়ানের দ্বিতীয় আসরের অন্যতম সেরা আবিষ্কার সালমা আক্তার। তার স্বামী এবারের দশম সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছেন। আর এর মাধ্যমে সালমা হয়েছেন এমপির বউ। তবে এবার মন্ত্রীর বউ হতে চান তিনি।
সালমা এতোদিন ছিলেন চেয়ারম্যানের বউ। কিন্তু সদ্য সমাপ্ত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার স্বামী শিবলী সাদিক আওয়ামী লীগের হয়ে জয়ী হওয়ায় বদলে গেছে তার পরিচয়। তিনি এখন এমপির বউ। তবে শুধু এমপির বউ হয়েই ক্ষান্ত হতে চান না তিনি। মন্ত্রীর বউও হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন তিনি।
সালমা আক্তার বলেন, "অন্যান্য বাঙালি নারীর মতোই আমি নিজের পরিচয়ের পাশাপাশি স্বামীর পরিচয়ে পরিচিত হতে চাই। পাড়ার-মহল্লার সবাই আমাকে এমপির বউ বলে সম্বোধন করছেন। তবে আমার চাওয়া একটু বেশি। আমি চাই শিবলী শুধু এমপি নয়,সে মন্ত্রীও হোক। তাহলে আমাকে সবাই মন্ত্রীর বউ বলে ডাকবে। আমার জন্য এবং শিবলির জন্য দোয়া করবেন। শিবলি যেন জনগণের সেবা করতে পারে।"
বর্তমানে দিনাজপুরে তার শ্বশুর বাড়িতে অবস্থান করছেন সালমা। নির্বাচনে জেতার পর বেশ ফুরফুরে মেজাজেই আছেন তিনি। সামনের সপ্তাহে তিনি ঢাকায় আসবেন বলে জানা গেছে।
এদিকে নির্বাচনের বেশ আগে থেকেই কুষ্টিয়ার মেয়ে সালমা তার ফেসবুক প্রোফাইলে স্বামীর পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। সর্বশেষ তিনি তার প্রোফাইলে একটি ফুলের মালা পড়া ছবি আপলোড করেছিলেন। স্বামী শিবলী সাদিক নির্বাচনে জেতার পর তার বিজয়মাল্য নিজেই পরিয়ে দিয়েছেন স্ত্রী সালমাকে।
সালমা ঢাকায় ফিরেই আবার ব্যস্ত হয়ে পরবেন অ্যালবামের কাজ নিয়ে। ইতোমধ্যে ছয়টি অ্যালবাম বের হয়েছে সালমার। নতুন অ্যালবামের সবকাজ শেষ শুধু কণ্ঠ দেবেন তিনি। এপ্রিলের শুরুতে বাংলা নববর্ষে নতুন অ্যালবামটি শ্রোতাদের উপহার দেবেন বলে জানান তিনি।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)





