কুমার সাঙ্গাকারার মহাকাব্যে ঢাকার পর চট্টলায়ও লংকানরা স্বাগতিকদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে ৫৮৭ রানের পাহাড়সম বোঝা। তাই সবারই প্রত্যাশা ছিল; দলের ক্রান্তিকালে হাল ধরবেন তামিম। কিন্তু হায়! রানের খাতাই যে খুলতে পারলেন না তিনি। ঢাকার ব্যর্থতা টেনে আনলেন নিজ শহর চট্টগ্রামেও। সুরাঙ্গা লাকমলের করা ইনিংসের চতুর্থ বলেই সরাসরি বোল্ড।
সন্দেহাতীতভাবে বর্তমানে দেশের সেরা ওপেনার তিনি। অনেকের মতে, দেশের ক্রিকেট ইতিহাসেরই সেরা। শিবিরের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। কিন্তু সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে তামিম ইকবালের সেই শ্রেষ্ঠত্ব এখন প্রশ্নের সম্মুখীন। উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই আউট হয়ে যাচ্ছেন বাজেভাবে। সহ-অধিনায়ক হয়েও দলকে ফেলে যাচ্ছেন চরম বিপদের মুখে। পরবর্তীতে যে বিপদ দলকে আষ্টেপিষ্টে ধরছে। হারতে হচ্ছে লজ্জাকরভাবে। এসব দেখেও কি বোধোদয় হবে না তামিমের!
কুমার সাঙ্গাকারার মহাকাব্যে ঢাকার পর চট্টলায়ও লংকানরা স্বাগতিকদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে ৫৮৭ রানের পাহাড়সম বোঝা। তাই সবারই প্রত্যাশা ছিল; দলের ক্রান্তিকালে হাল ধরবেন তামিম। কিন্তু হায়! রানের খাতাই যে খুলতে পারলেন না তিনি। ঢাকার ব্যর্থতা টেনে আনলেন নিজ শহর চট্টগ্রামেও। সুরাঙ্গা লাকমলের করা ইনিংসের চতুর্থ বলেই সরাসরি বোল্ড। খানিকটা নিচু হওয়া বলে ছত্রখান তার অফস্ট্যাম্প। অথচ লংকান ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং দেখে ক্রিকেটবোদ্ধারা বলছেন; চট্টলার উইকেট রীতিমতো ব্যাটিং স্বর্গ। কিন্তু তামিম সেই স্বর্গেও বুধবার বাংলাদেশকে উপহার দিলেন নরক যন্ত্রণা।
ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে করেছিলেন মোটে ৬ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হয়েছেন ১১ রানে। দল ডুবেছিল; ইনিংস এবং ২৪৮ রানের পরাজয়ের লজ্জায়। ক্যারিয়ারে একজন ব্যাটসম্যানের খারাপ সময় আসতেই পারে। সেটা মেনেও নিতে হবে সবাইকে। কিন্তু তামিম যেভাবে আউট হচ্ছেন; তা দৃষ্টিকটু ঠেকছে সবার কাছেই। মিরপুরে তার কুৎসিত ব্যাটিং দেখে স্বয়ং দলীয় অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম পর্যন্ত বলেছিলেন; তার (তামিম) আরো একটু দেখে খেলা উচিত। পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং করা উচিত। চট্টগ্রাম টেস্ট শুরুর আগেও সিনিয়রদের প্রতি টাইগার দলপতির আহ্বান ছিল; দায়িত্ব নিয়ে খেলার। কিন্তু মুশফিকের কথায় থোরাই কেয়ার তামিমের। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান চট্টগ্রামে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর অন্তত এ কথা বলাই যায়।
সর্বশেষ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ২০১০ সালের জুনে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যানচেস্টারে। এরপর বার কতক (৬ বার) হাফসেঞ্চুরির গ-ি পেরুলেও পেঁৗছাতে পারেননি তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজে আউট হয়েছেন একেবারে দোরগোড়ায় (৯৫ রান) গিয়ে। ওই সময় সংবাদকর্মীদের প্রশ্ন ছিল; মেঘে মেঘে তো বেলা কম হলো না; আরেকটা সেঞ্চুরি কবে হবে? সে সময় প্রসঙ্গটাতে বেশ বিরক্তিই প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এ কারণেই হয়তো সহ-অধিনায়ক হওয়া সত্ত্বেও এবার এখন পর্যন্ত সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হননি তিনি। পাছে সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে যদি স্বাভাবিক খেলাটাই খেলতে না পারেন! কিন্তু এখন কি বলবেন? এখন তো অবস্থা একেবারে হ-য-ব-র-ল।
তবে এখনো সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। আমার মতো সমালোচকদের মোক্ষম জবাব দেয়ার জন্য এই সিরিজে আরো একটা ইনিংস পাচ্ছেন তামিম। দলের বিপদে সেই ইনিংসে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবেন তামিম, দেশের ষোলো কোটি মানুষের প্রত্যাশা এখন তেমনই।
সন্দেহাতীতভাবে বর্তমানে দেশের সেরা ওপেনার তিনি। অনেকের মতে, দেশের ক্রিকেট ইতিহাসেরই সেরা। শিবিরের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। কিন্তু সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে তামিম ইকবালের সেই শ্রেষ্ঠত্ব এখন প্রশ্নের সম্মুখীন। উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই আউট হয়ে যাচ্ছেন বাজেভাবে। সহ-অধিনায়ক হয়েও দলকে ফেলে যাচ্ছেন চরম বিপদের মুখে। পরবর্তীতে যে বিপদ দলকে আষ্টেপিষ্টে ধরছে। হারতে হচ্ছে লজ্জাকরভাবে। এসব দেখেও কি বোধোদয় হবে না তামিমের!
কুমার সাঙ্গাকারার মহাকাব্যে ঢাকার পর চট্টলায়ও লংকানরা স্বাগতিকদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে ৫৮৭ রানের পাহাড়সম বোঝা। তাই সবারই প্রত্যাশা ছিল; দলের ক্রান্তিকালে হাল ধরবেন তামিম। কিন্তু হায়! রানের খাতাই যে খুলতে পারলেন না তিনি। ঢাকার ব্যর্থতা টেনে আনলেন নিজ শহর চট্টগ্রামেও। সুরাঙ্গা লাকমলের করা ইনিংসের চতুর্থ বলেই সরাসরি বোল্ড। খানিকটা নিচু হওয়া বলে ছত্রখান তার অফস্ট্যাম্প। অথচ লংকান ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং দেখে ক্রিকেটবোদ্ধারা বলছেন; চট্টলার উইকেট রীতিমতো ব্যাটিং স্বর্গ। কিন্তু তামিম সেই স্বর্গেও বুধবার বাংলাদেশকে উপহার দিলেন নরক যন্ত্রণা।
ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে করেছিলেন মোটে ৬ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হয়েছেন ১১ রানে। দল ডুবেছিল; ইনিংস এবং ২৪৮ রানের পরাজয়ের লজ্জায়। ক্যারিয়ারে একজন ব্যাটসম্যানের খারাপ সময় আসতেই পারে। সেটা মেনেও নিতে হবে সবাইকে। কিন্তু তামিম যেভাবে আউট হচ্ছেন; তা দৃষ্টিকটু ঠেকছে সবার কাছেই। মিরপুরে তার কুৎসিত ব্যাটিং দেখে স্বয়ং দলীয় অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম পর্যন্ত বলেছিলেন; তার (তামিম) আরো একটু দেখে খেলা উচিত। পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং করা উচিত। চট্টগ্রাম টেস্ট শুরুর আগেও সিনিয়রদের প্রতি টাইগার দলপতির আহ্বান ছিল; দায়িত্ব নিয়ে খেলার। কিন্তু মুশফিকের কথায় থোরাই কেয়ার তামিমের। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান চট্টগ্রামে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর অন্তত এ কথা বলাই যায়।
সর্বশেষ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ২০১০ সালের জুনে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যানচেস্টারে। এরপর বার কতক (৬ বার) হাফসেঞ্চুরির গ-ি পেরুলেও পেঁৗছাতে পারেননি তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজে আউট হয়েছেন একেবারে দোরগোড়ায় (৯৫ রান) গিয়ে। ওই সময় সংবাদকর্মীদের প্রশ্ন ছিল; মেঘে মেঘে তো বেলা কম হলো না; আরেকটা সেঞ্চুরি কবে হবে? সে সময় প্রসঙ্গটাতে বেশ বিরক্তিই প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এ কারণেই হয়তো সহ-অধিনায়ক হওয়া সত্ত্বেও এবার এখন পর্যন্ত সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হননি তিনি। পাছে সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে যদি স্বাভাবিক খেলাটাই খেলতে না পারেন! কিন্তু এখন কি বলবেন? এখন তো অবস্থা একেবারে হ-য-ব-র-ল।
তবে এখনো সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। আমার মতো সমালোচকদের মোক্ষম জবাব দেয়ার জন্য এই সিরিজে আরো একটা ইনিংস পাচ্ছেন তামিম। দলের বিপদে সেই ইনিংসে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবেন তামিম, দেশের ষোলো কোটি মানুষের প্রত্যাশা এখন তেমনই।
