DheTemplate Blogger Template
Pre Live Mag Blogger Template
whitePress Blogger Template
Poster Inc Blogger Template
DheTemplate - Free Blogger Templates Everyday
Etiam augue pede, molestie eget, rhoncus at, convallis ut, eros...More
Pre Live Mag Blogger Template
Aliquam sit amet felis. Mauris semper, velit semper laoreet dictum, quam diam dictum urna, nec placerat elit nisl in quam...More
whitePress Blogger Template
Etiam augue pede, molestie eget, rhoncus at, convallis ut, eros...More
Poster Inc Blogger Template
Aliquam sit amet felis. Mauris semper, velit semper laoreet dictum, quam diam dictum urna, nec placerat elit nisl in quam...More
বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
আফগানিস্তানের বাগরাম কারাগার থেকে পয়ষট্টিজন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
Categories :
আন্তর্জাতিক . নিউজ . slider
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এই বন্দিদের বিরুদ্ধে আফগান সাধারণ নাগরিক এবং যৌথবাহিনীর সদস্যদের হত্যার মতো অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো আরো ভালোভাবে খতিয়ে দেখারও অনুরোধ জানিয়েছে দেশটি।
তবে আফগানিস্তান বলছে যে, তাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই।
বিবিসির সংবাদদাতা বলছেন, এই বন্দিমুক্তিকে কেন্দ্র করে আফগানিস্তান আর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আবার সম্পর্কের অবনতি হওয়ার আশংকা তৈরি হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তটি প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের নিজস্ব সিদ্ধান্ত বলে সংবাদদাতা জানতে পেরেছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই বন্দিদের কারাগারটি থেকে ছেড়ে দেয়া শুরু হয়।
কাবুল থেকে ৪৫ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত পারওয়ান আটক কেন্দ্র নামের এই কারাগারটি বাগরাম কারাগার নামে পরিচিত।
কিছুদিন আগে বিবিসির ইয়ালদা হাকিম এই কারাগারটিতে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছিলেন।
তিনি বলছেন, আফগানিস্তানের অন্য কারাগারগুলোর সাথে তুলনা করণে এটি খুবই ভালো কারাগার। তবে এখানে এমন অনেক বন্দি রয়েছেন, যাদের বছরের পর বছর বিনাবিচারে আটকে রাখা হয়েছে।
গতবছরের মার্চে বাগরাম কারাগারটি আফগান কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের পর এ পর্যন্ত একশজনের বেশি বন্দিকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।
আইটিতে কে ছিল ২০১৩ এর বস দেখুন
কে দাপিয়ে বেড়িয়েছে ২০১৩-র তথ্যপ্রযুক্তি দুনিয়া? বা কোন কোন সংস্থার মাথায় ঘনিয়েছে কালো মেঘ। এক নজরে চোখ বুলিয়ে নিন বছর শেষে তথ্য প্রযুক্তি দুনিয়ার শীর্ষ খবরে।
টুইটার: এ বছরই নভেম্বরেই শেয়ার ছাড়ে টুইটার৷ কয়েক কোটি ডলারের শেয়ার বেঁচে সান ফ্রান্সিসকোর এই কোম্পানি আজ সাফল্যের শিখরে৷ খুব শিগগিরই টুইটার সেরা ইন্টারনেট কোম্পানিতে পরিণত হবে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের৷
নেটফ্লিক্স: ইন্টারনেট ভিত্তিক এই মিডিয়ার বিভিন্ন অনুষ্ঠান জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে পিছনে ফেলেছে টিভি চ্যানেল এইচবিও-কে। যুক্তরাষ্ট্রের গ্রাহকরা এখন যে কোনও চলচ্চিত্র দেখতে নেটফ্লিক্সকেই প্রাধান্য দেন৷ তাঁদের নিজস্ব অনলাইন শো ‘হাউজ অব কার্ডস’ প্রথম অনলাইন শো হিসেবে অ্যামি এডওয়ার্ড পেয়েছে৷ এ বছর এর শেয়ার মূল্যও বেড়েছে তিন গুণ৷
ভিডিও গেমস: ‘গ্র্যান্ড থেফট অটো ভি’ গেমটি উৎপাদন খরচ এবং বিক্রির দিক থেকে এ বছর রেকর্ড গড়েছে৷ হলিউডের ব্লকবাস্টার চিত্র নির্মাণে যত অর্থ ব্যয় হয়, এটি তৈরিতেও তেমনই অর্থ ব্যয় করা হয়েছে৷ মুক্তির মাত্র তিন দিনেই গেমটি বিক্রি হয়েছে ১ বিলিয়ন ডলার৷ নভেম্বরে মাইক্রোসফট এবং সনি নিউ জেনারেশন এক্স-বক্স ওয়ান এবং প্লে স্টেশন ফোর ভিডিও গেমস বাজারে আনে৷
বিটকয়েন: বছর শেষে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে বিটকয়েন বা ডিজিটাল কয়েন৷ এমনকি কয়েকটার মূল্য দাঁড়িয়েছে ১০০০ ডলার পর্যন্ত৷ তবে বিটকয়েনের কারণে অনলাইনে চোরাকারবারীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে বলে মনে করেন অনেকে৷
গুগল: কিছুদিন আগেও অ্যাপলের গেজেটে বাজার ছিল ছয়লাপ৷ সেই বাজারে ভাগ বসিয়েছে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়ার৷ তা এখন আধিপত্য বিস্তার করছে স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটের বাজারে৷ স্যামসাং-ও এই বাজারে গুগলের সমকক্ষ৷ তারা নিজের প্ল্যাটফর্ম দাঁড় করিয়েছে৷ বিস্ময়কর চশমা, রবোটিক্স এবং দ্রুতগতি সম্পন্ন কেবল লাইনস তৈরির মাধ্যমে গুগল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মনোযোগ আকর্ষণে সমর্থ হয়েছে৷
ফ্যাবলেটস: স্মার্টফোনের বড় স্ক্রিন মোবাইল ব্যবহারকারীদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে এ বছর৷ ফলে ফ্যাবলেটের চাহিদা উত্তরোত্তর বাড়ছে৷
পার্সোনাল কম্পিউটার: স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটের যুগে পার্সোনাল কম্পিউটার বিক্রি মুখ থুবড়ে পড়েছে৷ ফলে চাপে রয়েছে মাইক্রোসফট৷ এদিকে, কোম্পানিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে এমন একজন দক্ষ ব্যক্তির জন্য সময়ের আগেই পদত্যাগের ঘোষণা করেন মাইক্রোসফট প্রধান স্টিভ বালমার৷
অ্যাপল: সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলার ক্ষেত্রে অ্যাপল কোম্পানির জুরি নেই৷ নতুন আইফোন, আইপ্যাড এবং ম্যাকিনটস কম্পিউটার দিয়ে পুরো বছর বাজার ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে কোম্পানিটি৷ তবে তাদের আইওয়াচ এবং আইটিভি বক্স বাজারে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি৷
ব্ল্যাকবেরি: একসময় রাজত্ব করেছে স্মার্টফোন ব্ল্যাকবেরি৷ কিন্তু এ বছর চাকরি হারানো, বস ও অন্যান্য নেতাদের পদত্যাগের কারণে বেশ ঝুঁকির মুখে রয়েছে এটি৷
লেবু দিয়ে দাঁত করুন আরও উজ্জ্বল
Categories :
নিউজ . লাইফ স্টাইল . slider
দাঁতের দাগ, হলদে কিংবা লালচে ভাব সব বয়সের মানুষের একটা সাধারণ সমস্যা। এই সমস্যা আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। এর থেকে মুক্তি দিতে পারে লেবুর রস। ঝকঝকে দাগমুক্ত দাঁত পেতে চাইলে দিনে দুইবার দাঁত ব্রাশ করুন এবং ব্রাশ করার পর লেবুর রস দিয়ে কুলকুচা করুন। লেবুর রসের জৈব অম্ল দাঁতের অবাঞ্ছিত দাগ, সূক্ষ্ম ময়লা আবরণ দূর করবে। নিয়মিত কাজটি করতে পারলে দ্রুত ফল পাবেন। এছাড়াও আরও এক ধরনের চিকিৎসা রয়েছে। লেবুর খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে টুথ পাউডারের মত তা দিয়ে দাঁত মাজুন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলকুচা করুন। সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল পাবেন।রোদে পোড়া ত্বককে সুন্দর করুন
Categories :
নিউজ . লাইফ স্টাইল . featured
![]() |
সুন্দর ত্বক দেখতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু রোদে ত্বক পুড়ে গেলে ত্বক তামাটে কিংবা কালচে হয়ে যায়, যা দেখতে বেমানান। অবশ্য পশ্চিমা দেশগুলোতে রোদে পোড়া ত্বকের খুব কদর রয়েছে। যাহোক, শত ব্যস্ততার মধ্যে কী করে একটু সচেতনতা ও যত্ন দূর করে দিতে পারে রোদে পোড়া দাগ, সেটিই উল্লেখ করা হবে। বাইরে থেকে ফিরে খানিকটা সময় ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিন। এটা ত্বকে কালচে দাগ পড়তে দেয় না। সপ্তাহে তিনদিন শশা ও আলু পেস্ট করে ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এত ত্বকের দাগ দূর হবে, নতুন দাগ পড়বে না, সেইসঙ্গে ত্বক হবে উজ্জ্বল ও কোমল। সপ্তাহে দুইদিন টকদইয়ের সঙ্গে পাকা কলা পেস্ট করে ত্বকে লাগালেও রোদে পোড়া দাগ দূর হবে, ত্বক মসুণ হবে। নিয়মিত তিলের তেল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে রাতে ত্বকে লাগিয়ে সকালে ধুয়ে ফেলুন। বাইরে বের হওয়ার ২০ থেকে ২৫ মিনিট আগে ত্বকে সানস্ক্রিন লোশন লাগিয়ে বের হতে পারেন। আমাদের দেশের তাপমাত্রা অনুযায়ী সানস্ক্রীন লোশনের এসপিএফ যেন অন্তত ৩০ হয়, সেদিকে লক্ষ রাখবেন। এছাড়া বেশি বেশি পানি, ফলমূল ও শাকসবজি খাবেন। রোদে বের হলে ছাতা, রোদচশমা ব্যবহার করবেন। চলতে ফিরতে এমন সচেতনতায় আপনি ফিরে পেতে পারেন আপনার রোদে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক।
বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
১০ টি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য টিপস
স্বাস্থ্যসচেতনতায় আরও একটু বেশি সক্রিয় হওয়া সবসময়ই উচিত। স্বাস্থ্যই সকল সকল মূল কথাটি মিথ্যে নয়, তাই নজর রাখুন সাস্থ্যের প্রতি। মেনে চলুন সাস্থ্য রক্ষায় উপকারী নিয়মগুলো। আজ তেমনই উপকারী ১০ টি টিপস নিয়ে এসেছি আপনার জন্য..
মাথাব্যথা হলে প্রচুর মাছ খান। মাছের তেল মাথাব্যথা প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর। খেতে পারেন আদা। প্রদাহ এবং ব্যথা নিরাময়ে তা বিশেষভাবে কার্যকর।
জ্বর হলে খেতে পারেন ইয়োগার্ট। মধুও খেতে পারেন।
স্ট্রোক প্রতিরোধ চা খান। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে নিয়মিত চা খেলে ধমনীর গাত্রে ফ্যাট জমতে পারে না। ফলে ঝুঁকি কমে আসে অনেকখানি।
অনিদ্রার সমস্যায় মধু কার্যকর।
হাঁপানিতে পেঁয়াজ খান। শ্বাসনালীর সংকোচন রোধে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
পেটের পীড়ায় খেতে পারেন কলা, আদা। আদা মর্নিং সিকনেস এবং বমি বমিভাব দূর করে।
ঠান্ডা লাগলে রসুন খান।
আলসারের সমস্যায় বাঁধাকপি বিশেষভাবে উপযোগী। এতে থাকা খাদ্যোপাদান গ্যাস্ট্রিক এবং ডিওডেনাল আলসার হিল করতে সাহায্য করে।
নানাগুণের অধিকারী মধু। অসাড়তা, গলাব্যথা, মানসিক চাপ, রক্তস্বল্পতা, অস্টিও পোরেসিস, মাইগ্রেনসহ নানা শারীরিক সমস্যায় মধু বিশেষভাবে কার্যকর।
কি হল তামিমের
কুমার সাঙ্গাকারার মহাকাব্যে ঢাকার পর চট্টলায়ও লংকানরা স্বাগতিকদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে ৫৮৭ রানের পাহাড়সম বোঝা। তাই সবারই প্রত্যাশা ছিল; দলের ক্রান্তিকালে হাল ধরবেন তামিম। কিন্তু হায়! রানের খাতাই যে খুলতে পারলেন না তিনি। ঢাকার ব্যর্থতা টেনে আনলেন নিজ শহর চট্টগ্রামেও। সুরাঙ্গা লাকমলের করা ইনিংসের চতুর্থ বলেই সরাসরি বোল্ড।
সন্দেহাতীতভাবে বর্তমানে দেশের সেরা ওপেনার তিনি। অনেকের মতে, দেশের ক্রিকেট ইতিহাসেরই সেরা। শিবিরের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। কিন্তু সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে তামিম ইকবালের সেই শ্রেষ্ঠত্ব এখন প্রশ্নের সম্মুখীন। উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই আউট হয়ে যাচ্ছেন বাজেভাবে। সহ-অধিনায়ক হয়েও দলকে ফেলে যাচ্ছেন চরম বিপদের মুখে। পরবর্তীতে যে বিপদ দলকে আষ্টেপিষ্টে ধরছে। হারতে হচ্ছে লজ্জাকরভাবে। এসব দেখেও কি বোধোদয় হবে না তামিমের!
কুমার সাঙ্গাকারার মহাকাব্যে ঢাকার পর চট্টলায়ও লংকানরা স্বাগতিকদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে ৫৮৭ রানের পাহাড়সম বোঝা। তাই সবারই প্রত্যাশা ছিল; দলের ক্রান্তিকালে হাল ধরবেন তামিম। কিন্তু হায়! রানের খাতাই যে খুলতে পারলেন না তিনি। ঢাকার ব্যর্থতা টেনে আনলেন নিজ শহর চট্টগ্রামেও। সুরাঙ্গা লাকমলের করা ইনিংসের চতুর্থ বলেই সরাসরি বোল্ড। খানিকটা নিচু হওয়া বলে ছত্রখান তার অফস্ট্যাম্প। অথচ লংকান ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং দেখে ক্রিকেটবোদ্ধারা বলছেন; চট্টলার উইকেট রীতিমতো ব্যাটিং স্বর্গ। কিন্তু তামিম সেই স্বর্গেও বুধবার বাংলাদেশকে উপহার দিলেন নরক যন্ত্রণা।
ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে করেছিলেন মোটে ৬ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হয়েছেন ১১ রানে। দল ডুবেছিল; ইনিংস এবং ২৪৮ রানের পরাজয়ের লজ্জায়। ক্যারিয়ারে একজন ব্যাটসম্যানের খারাপ সময় আসতেই পারে। সেটা মেনেও নিতে হবে সবাইকে। কিন্তু তামিম যেভাবে আউট হচ্ছেন; তা দৃষ্টিকটু ঠেকছে সবার কাছেই। মিরপুরে তার কুৎসিত ব্যাটিং দেখে স্বয়ং দলীয় অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম পর্যন্ত বলেছিলেন; তার (তামিম) আরো একটু দেখে খেলা উচিত। পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং করা উচিত। চট্টগ্রাম টেস্ট শুরুর আগেও সিনিয়রদের প্রতি টাইগার দলপতির আহ্বান ছিল; দায়িত্ব নিয়ে খেলার। কিন্তু মুশফিকের কথায় থোরাই কেয়ার তামিমের। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান চট্টগ্রামে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর অন্তত এ কথা বলাই যায়।
সর্বশেষ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ২০১০ সালের জুনে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যানচেস্টারে। এরপর বার কতক (৬ বার) হাফসেঞ্চুরির গ-ি পেরুলেও পেঁৗছাতে পারেননি তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজে আউট হয়েছেন একেবারে দোরগোড়ায় (৯৫ রান) গিয়ে। ওই সময় সংবাদকর্মীদের প্রশ্ন ছিল; মেঘে মেঘে তো বেলা কম হলো না; আরেকটা সেঞ্চুরি কবে হবে? সে সময় প্রসঙ্গটাতে বেশ বিরক্তিই প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এ কারণেই হয়তো সহ-অধিনায়ক হওয়া সত্ত্বেও এবার এখন পর্যন্ত সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হননি তিনি। পাছে সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে যদি স্বাভাবিক খেলাটাই খেলতে না পারেন! কিন্তু এখন কি বলবেন? এখন তো অবস্থা একেবারে হ-য-ব-র-ল।
তবে এখনো সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। আমার মতো সমালোচকদের মোক্ষম জবাব দেয়ার জন্য এই সিরিজে আরো একটা ইনিংস পাচ্ছেন তামিম। দলের বিপদে সেই ইনিংসে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবেন তামিম, দেশের ষোলো কোটি মানুষের প্রত্যাশা এখন তেমনই।
সন্দেহাতীতভাবে বর্তমানে দেশের সেরা ওপেনার তিনি। অনেকের মতে, দেশের ক্রিকেট ইতিহাসেরই সেরা। শিবিরের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। কিন্তু সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে তামিম ইকবালের সেই শ্রেষ্ঠত্ব এখন প্রশ্নের সম্মুখীন। উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই আউট হয়ে যাচ্ছেন বাজেভাবে। সহ-অধিনায়ক হয়েও দলকে ফেলে যাচ্ছেন চরম বিপদের মুখে। পরবর্তীতে যে বিপদ দলকে আষ্টেপিষ্টে ধরছে। হারতে হচ্ছে লজ্জাকরভাবে। এসব দেখেও কি বোধোদয় হবে না তামিমের!
কুমার সাঙ্গাকারার মহাকাব্যে ঢাকার পর চট্টলায়ও লংকানরা স্বাগতিকদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে ৫৮৭ রানের পাহাড়সম বোঝা। তাই সবারই প্রত্যাশা ছিল; দলের ক্রান্তিকালে হাল ধরবেন তামিম। কিন্তু হায়! রানের খাতাই যে খুলতে পারলেন না তিনি। ঢাকার ব্যর্থতা টেনে আনলেন নিজ শহর চট্টগ্রামেও। সুরাঙ্গা লাকমলের করা ইনিংসের চতুর্থ বলেই সরাসরি বোল্ড। খানিকটা নিচু হওয়া বলে ছত্রখান তার অফস্ট্যাম্প। অথচ লংকান ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং দেখে ক্রিকেটবোদ্ধারা বলছেন; চট্টলার উইকেট রীতিমতো ব্যাটিং স্বর্গ। কিন্তু তামিম সেই স্বর্গেও বুধবার বাংলাদেশকে উপহার দিলেন নরক যন্ত্রণা।
ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে করেছিলেন মোটে ৬ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হয়েছেন ১১ রানে। দল ডুবেছিল; ইনিংস এবং ২৪৮ রানের পরাজয়ের লজ্জায়। ক্যারিয়ারে একজন ব্যাটসম্যানের খারাপ সময় আসতেই পারে। সেটা মেনেও নিতে হবে সবাইকে। কিন্তু তামিম যেভাবে আউট হচ্ছেন; তা দৃষ্টিকটু ঠেকছে সবার কাছেই। মিরপুরে তার কুৎসিত ব্যাটিং দেখে স্বয়ং দলীয় অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম পর্যন্ত বলেছিলেন; তার (তামিম) আরো একটু দেখে খেলা উচিত। পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং করা উচিত। চট্টগ্রাম টেস্ট শুরুর আগেও সিনিয়রদের প্রতি টাইগার দলপতির আহ্বান ছিল; দায়িত্ব নিয়ে খেলার। কিন্তু মুশফিকের কথায় থোরাই কেয়ার তামিমের। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান চট্টগ্রামে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর অন্তত এ কথা বলাই যায়।
সর্বশেষ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ২০১০ সালের জুনে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যানচেস্টারে। এরপর বার কতক (৬ বার) হাফসেঞ্চুরির গ-ি পেরুলেও পেঁৗছাতে পারেননি তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজে আউট হয়েছেন একেবারে দোরগোড়ায় (৯৫ রান) গিয়ে। ওই সময় সংবাদকর্মীদের প্রশ্ন ছিল; মেঘে মেঘে তো বেলা কম হলো না; আরেকটা সেঞ্চুরি কবে হবে? সে সময় প্রসঙ্গটাতে বেশ বিরক্তিই প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এ কারণেই হয়তো সহ-অধিনায়ক হওয়া সত্ত্বেও এবার এখন পর্যন্ত সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হননি তিনি। পাছে সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে যদি স্বাভাবিক খেলাটাই খেলতে না পারেন! কিন্তু এখন কি বলবেন? এখন তো অবস্থা একেবারে হ-য-ব-র-ল।
তবে এখনো সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। আমার মতো সমালোচকদের মোক্ষম জবাব দেয়ার জন্য এই সিরিজে আরো একটা ইনিংস পাচ্ছেন তামিম। দলের বিপদে সেই ইনিংসে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবেন তামিম, দেশের ষোলো কোটি মানুষের প্রত্যাশা এখন তেমনই।
বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৪
তুলসী পাতার গুণ
:::তুলসী পাতার গুণ:::
*মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসীপাতা চেবান ৷
* ঘা যদি দ্রুত কমাতে চান তাহলে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগান, কমে যাবে ৷
* শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালা কমবে ৷ পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে ৷ সেখানে কোন দাগ থাকবে না ৷
* ত্বকের চমক বাড়ানোর জন্য, এছাড়াও ত্বকের বলীরেখা এবং ব্রোন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান ৷
* বুদ্ধি এবং স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন ৫-৭ টা তুলসী পাতা চিবান৷
* প্রস্রাবে জ্বালা হলে তুলসী পাতার রস ২৫০ গ্রাম দুধ এবং ১৫০ গ্রাম জলের মধ্যে মিশিয়ে পান করুন ৷ উপকার পাবেন ৷
~ নেট থেকে নেয়া হয়েছে তথ্যগুলো ~
আপনাদের জন্য অনেক কষ্ট করে তথ্য গুলো সংগ্রহ করেছি। লাইক পেলে ভাল লাগবে।।
*মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসীপাতা চেবান ৷* ঘা যদি দ্রুত কমাতে চান তাহলে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগান, কমে যাবে ৷
* শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালা কমবে ৷ পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে ৷ সেখানে কোন দাগ থাকবে না ৷
* ত্বকের চমক বাড়ানোর জন্য, এছাড়াও ত্বকের বলীরেখা এবং ব্রোন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান ৷
* বুদ্ধি এবং স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন ৫-৭ টা তুলসী পাতা চিবান৷
* প্রস্রাবে জ্বালা হলে তুলসী পাতার রস ২৫০ গ্রাম দুধ এবং ১৫০ গ্রাম জলের মধ্যে মিশিয়ে পান করুন ৷ উপকার পাবেন ৷
~ নেট থেকে নেয়া হয়েছে তথ্যগুলো ~
আপনাদের জন্য অনেক কষ্ট করে তথ্য গুলো সংগ্রহ করেছি। লাইক পেলে ভাল লাগবে।।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)
?">RSS');
document.write('
?max-results=5">Featured Post 6');
document.write("
?max-results="+numposts1+"&orderby=published&alt=json-in-script&callback=showrecentposts\"><\/script>");



